সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পাকস্থলীর প্রদাহ(Gastrities)


 

পাকস্থলীর প্রদাহ(Gastrities)

চিকিৎসার জন্য আগত রোগীর অধিকাংশই গ্যাস্ট্রাইটিসের। যার অন্যতম কারণ হলো-

o       অনিয়মিত জীবন-যাপন করা।

o       মাত্রাতিরিক্ত খাদ্য খেলে কিংবা চিবিয়ে না খেলে তা সহজে হজমের কার্যে ব্যাঘাত ঘটায়, ফলে পাকস্থলীতে প্রদাহ হয়।

o       অর্ধ সিদ্ধ কিংবা কাঁচা খাদ্য(যে খাদ্য খাওয়া অনুচিত)খেলে ঐ রোগ হয়।

o       বেশি পরিমাণ মদ্য পান করলেও পাকস্থলীতে প্রদাহ হয়।

o       বিষাক্ত খাদ্য খেলে এই রোগ হয়।

o       সহজে হজম হয়না এমন খাদ্য কিংবা অসময়ে খাদ্য খেলে এই রোগ হয়।

o       অতিরিক্ত চা পান করা।

o       ধূমপানের জন্যও এই রোগ হয়।

 

পাকস্থলীর প্রদাহ(Gastrities)-এর প্রতিকার

o       পাকস্থলীর মারাত্নক প্রদাহ হলে যথাসময়ে চিকিৎসা করা উত্তম। কেননা, এই রোগের উপর্যপরি ভুগলে রোগ পুরাতন হয় এবং পরিশেষে হাইপার এসিডিটি কিংবা হাইপো এসিডিটি পর্যন্ত গড়াতে পারে।

o       রোগ সৃষ্টি হবার কারণ সমূহ সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হবে।

o       অতিরিক্ত গরম মসলাযুক্ত খাদ্য, কম সিদ্ধ, কাঁচা কিংবা কঠিন খাদ্য খাবেনা। যে খাদ্য সহজে হজম হয় অর্থাৎ সহজ পাচ্য খাবার খাবে।

o       বেশীক্ষণ খালি পেটে থাকবেনা।

o       চর্বিযুক্ত খাদ্য, ভাজা-পোড়া, কাঁচা ফলমূল, মদ্য, চা সিগারেট খাইবে না। আবার গো-মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ী মাছ, বোয়াল মাছ খাবেনা।

o       পুরোপুরি নিয়ম মাফিক চলতে হবে।

অধিক ভোজন থেকে বিরত থাকতে হবে। পাকস্থলির কিছুটা অংশ খালি রেখে পানি দ্বারা পূর্ন করতে হবে।

সূরা মুমিনুন-৫১: পবিত্র বস্তুসমূহ থেকে খাও এবং নেক কাজ করো।

আমি যেসব পবিত্র রিযিক তোমাদেরকে দিয়েছি, তা থেকে তোমরা আহার কর।

সূরা মায়েদা-৩: তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত জন্তু, রক্ত, শুকরের গোস্ত, আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে জবেহ করা পশু, গলাচিপে মারা যাওয়া জন্তু, প্রহারে মারা যাওয়া জন্তু, উপর থেকে পড়ে মারা যাওয়া জন্তু, অন্য প্রানির শিং এর আঘাতে মারা যাওয়া জন্তু এবং হিংস্র পশুতে খাওয়া জন্তু, তবে যা তোমরা জবেহ করতে পেরেছ তা ছাড়া, আর যা মুর্তি পুজার বেদীর উপর বলি দেয়া হয় তা এবং জুয়ার তীর দিয়ে ভাগ্য নির্ণয় করা।

 

রসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: দুজনের খাবার তিনজনের জন্য যথেষ্ট এবং তিনজনের খাবার চারজনের জন্য যথেষ্ট হতে পারে।

 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দন্ত রোগসমূহ

  Ø      দন্ত রোগসমূহ দন্তক্ষয়: দন্তক্ষয় বা কেরিজ একটি জীবানু জনিত রোগ। যে ধরনের জীবানু এই রোগের সৃষ্টি করে তার মধ্যে স্ট্রেপটোকক্কাস ও ল্যাকটোবেসিলাস নামক জীবাণুই প্রধান। দাঁতের গায়ে জমে থাকা খাদ্যদ্রব্যের উপর অম্ল প্রস্তুতকারী জীবানু স্থানীয়ভাবে অম্ল সৃষ্টি করে যা দাঁতের ক্ষয়সাধন করে এবং দাঁতের গায়ে গর্তের সৃষ্টি করে। এটাই দন্তক্ষয় রোগ বা কেরিজ। জীবানু প্রলেপ, ডেন্টাল প্লাগ বা ব্যাকটেরিয়াল প্লাগ মুখে সাধারণত: বিভিন্ন ধরনের জীবাণু অবস্থান করে। আহারের পরে মুখ ও দাঁত ভালভাবে পরিষ্কার না করলে ঐ সব জীবানু দাঁতে লেগে থাকা খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং এইভাবে লক্ষ লক্ষ জীবাণু জমে উঠে। এই ধরনের জীবাণু স্তরকে ব্যাকটেরিয়াল প্লাগ বলে। সহজ কথায় ভোরবেলায় যে আঠাল সাদা বস্তু মুখের মধ্যে পাওয়া যায, এটাই জীবাণু প্রলেপ। পরীক্ষা করলে দেখা যায় প্রতি মিলিগ্রাম জীবানু প্রলেপে ৪০ কোটিরও অধিক জীবাণু অবস্থান করে। খাদ্যকনা ভালভাবে কুলকুচা করলে ধুয়ে যাবে, কিন্তু ডেন্টাল প্লাগ জীবানু প্রলেপ আঠালো বলে কেবল ব্রাশ ব্যবহার করলেই দূরীভুত হতে পারে। দন্ত শাস্ত্রে দাতের দুইট...

আত্না ও দেহ

মৃত্যু নিছক দেহ ও রূহের আলাদা হয়ে যাবার নাম- সম্পুর্ণ বিলুপ্ত ও নিশ্চহ্ন হয়ে যাবার নাম নয়। দেহ থেকে আলাদা হয়ে যাবার পর রূহ নিশ্চন্ন হয়ে যায় না। বরং দুনিয়াবী জীবনের অভিজ্ঞতা এবং মানবিক এবং নৈতিক উপার্জনের মাধ্যমে যে ব্যক্তিত্ব সৃষ্টি হয়েছিল তার সবটুকু সহকারে জীবিত থাকে। এ অবস্থায় রূহের চেতনা অনুভুতি, পর্যোবেক্ষন ও অভিজ্ঞতার অবস্থা অনেকটা স্বপ্নের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। একটি অপরাধী রূহকে ফেরেশতাদের জিজ্ঞাসাবাদ, তারপর তার আযাব ও যন্ত্রণার মধ্যে পড়ে যাওয়া এবং তাকে দোজখের সামনে উপস্থিত করা-এসব কিছু এমন একটি অবস্থার সাথে সাদৃশ্য রাখে যা একজন খুনের আসামীকে ফাসী দেবার তারিখের একদিন আগে একটি ভয়ংকর স্বপ্নের আকারে তার কাছে উপস্থিত হয়। অনুরূপভাবে একটি পবিত্র পরিচ্ছন্ন ও নিষ্কলুষ রূহের সম্বর্ধনা, তার পর তার জান্নাতের সুখবর শোনা এবং জান্নাতের বাতাস ও কুশবুতে আপ্লুত হওয়া- এসব কিছুও এমন একজন কর্মচারীর স্বপ্নের সাথে মিলে যায়, যে সুচারুরূপে নিজের কাজ সম্পন্ন করার পর সরকারের ডাকে হেড কোয়ার্টারে হাযির হয় এবং সাক্ষাতকারের জন্য চুক্তিবদ্ধ তারিখের একদিন আগে ভবিষ্যত পুরুষ্কারের প্রত্যাশাদীপ্ত একটি মধুর স্বপ্ন...

ব্রেস্ট/জরায়ুতে ক্যান্সারের কারণসমূহ:

  o        কুড়ি বৎসর বয়সের নিচে পুন : পুন যৌন মিলন। o        বিভিন্ন সংগীর সাথে যৌন মিলন বা গণিকাবৃত্তি। o        অপরিচ্ছন্ন জননেন্দ্রিয়। o        জননেন্দ্রিয়ের বিভিন্ন রোগ , যেমন হারপিস সিমপ্লেস ভাইরাস - টাইপ দুই এবং হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। o        বয়স ৪০ - ৬০ বছর। o        নিম্ন আর্থ সামাজিক আয়। o        বর্তমানে যে সব কনট্রাসেপটিভ পিল রয়েছে সেগুলো ব্যবহার মানে ব্রেস্ট ক্যান্সারের জন্য বাড়তি ঝুকি , বিশেষ করে তরুনীদের ক্ষেত্রে। o        স্তনের ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে। o        স্তনে টিউমার অথবা ফোড়া হলে। o        ত্রিশ বৎসরের পর প্রথম সন্তান লাভ অথবা নি : সন্তান হলে। সন্তানকে ব...