সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মানুষের কেন রোগ হয়?



পৃথিবীর কোন মানুষই ১০০% সুস্থ হয় না কেন? প্রত্যেকেই এক বা একাধিক রোগে ভোগেন কেন? মানুষের মাঝে দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা ক্রনিক ডিজিস দেখা দেয় কেন?
ড. সিলভারের মতে ব্যাকপেইন হলো মানুষের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী রোগ। পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষই এই রোগে ভোগেন। কারন মানুষ পৃথিবীর অন্যান্য প্রানীদের মতন চারপায়ে হাটেনা। পৃথিবীর বাকি প্রানীদের কি ঘাড়ে পিঠে বা কোমরে ব্যাথা হয়? মানুষের এই ব্যাকপেইন রোগটি প্রমাণ করে মানুষের দেহ অন্য কোন গ্রহে বসবাসের জন্য সৃষ্টি হয়েছিল। যে গ্রহের মধ্যা-কর্ষন ক্ষমতা ছিল পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম।
পৃথিবীর মধ্যাকর্ষন ক্ষমতা বেশি থাকার কারণে নিজের দেহর ওজনের কারনে  স্পাইনাল নার্ভ সংকুচিত হয়ে পড়ে। ফলে কোমর থেকে পা পর্যন্ত ব্যাথা হয়ে থাকে।  এর সমাধানকল্পে ফিজিওথেরাপীস্টের মাধ্যমে ট্রাকশন থেরাপী দেওয়া হয়। যদি ৫ ওয়াক্ত সালাতের সময় সিজদাহ ও রুকুতে সময় বেশি দেওয়া হয় তবে ট্রাকশন থেরাপী ছাড়াও মানুষ এই রোগ থেকে আরোগ্য পেতে পারে।
লেখক-
ডা: মো: মোসাদ্দেক হাসান
ডিএমএফ, বিডিএ
ডিএইচএমএস (ঢাকা)

 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দন্ত রোগসমূহ

  Ø      দন্ত রোগসমূহ দন্তক্ষয়: দন্তক্ষয় বা কেরিজ একটি জীবানু জনিত রোগ। যে ধরনের জীবানু এই রোগের সৃষ্টি করে তার মধ্যে স্ট্রেপটোকক্কাস ও ল্যাকটোবেসিলাস নামক জীবাণুই প্রধান। দাঁতের গায়ে জমে থাকা খাদ্যদ্রব্যের উপর অম্ল প্রস্তুতকারী জীবানু স্থানীয়ভাবে অম্ল সৃষ্টি করে যা দাঁতের ক্ষয়সাধন করে এবং দাঁতের গায়ে গর্তের সৃষ্টি করে। এটাই দন্তক্ষয় রোগ বা কেরিজ। জীবানু প্রলেপ, ডেন্টাল প্লাগ বা ব্যাকটেরিয়াল প্লাগ মুখে সাধারণত: বিভিন্ন ধরনের জীবাণু অবস্থান করে। আহারের পরে মুখ ও দাঁত ভালভাবে পরিষ্কার না করলে ঐ সব জীবানু দাঁতে লেগে থাকা খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং এইভাবে লক্ষ লক্ষ জীবাণু জমে উঠে। এই ধরনের জীবাণু স্তরকে ব্যাকটেরিয়াল প্লাগ বলে। সহজ কথায় ভোরবেলায় যে আঠাল সাদা বস্তু মুখের মধ্যে পাওয়া যায, এটাই জীবাণু প্রলেপ। পরীক্ষা করলে দেখা যায় প্রতি মিলিগ্রাম জীবানু প্রলেপে ৪০ কোটিরও অধিক জীবাণু অবস্থান করে। খাদ্যকনা ভালভাবে কুলকুচা করলে ধুয়ে যাবে, কিন্তু ডেন্টাল প্লাগ জীবানু প্রলেপ আঠালো বলে কেবল ব্রাশ ব্যবহার করলেই দূরীভুত হতে পারে। দন্ত শাস্ত্রে দাতের দুইট...

পরিবার প্রথা

  সূরা নিসা-৩: যিনি তোমাদেরকে এক ব্যাক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন ও তার থেকে তার সন্ত্রীকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের দুজন থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দেন। সন্তানকে লালন - পালন করতে পরিবারে পিতা - মাতার যৌথ ভূমিকা প্রয়োজন। পশ্চিমা বিশ্বে যেখানে সন্তান পরিবারে লালিত - পালিত হওয়ার সুযোগ পায়না সেখানে তারা শিশু নিকেতনে বা মাতৃসদনে বেড়ে ওঠে। একটি জরিপে দেখা গিয়েছে যে ঐ সকল প্রতিষ্ঠানে বেড়ে ওঠা সন্তানদের মাঝে ভালবাসা , স্নেহ , মায়া মমতা পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুদের চেয়ে কম। তাছাড়া তারা অসহিঞ্চ ও বদ মেজাজি স্বভাবের হয়। মানব জন্মের সাথে পরিবার প্রথা জড়িত। যদি পরিবার বিলুপ্ত হয়ে যায় তবে যা ঘটবে - o        পৃথিবীর অন্যান্য পশুর ন্যায় মানুষও সেক্স করার স্বাধীন ক্ষমতা লাভ করবে। o        কোন মানব সন্তানের পিতা নির্ধারণ করা যাবেনা। o        শুধু মাত্র নারীকেই সন্তানের দায়িত্ব নিতে হবে। o      ...

মানব জাতীর সৃষ্টিতত্ব:

স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের বললেন “আমি পৃথিবীতে প্রতিনিধি সৃষ্টি করবো” তারা বলল: আপনি কি যমীনে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যে, তারা তন্মধ্যে অশান্তি উৎপাদন করবে এবং রক্তপাত করবে? এবং আমরাই তো আপনার প্রশংসা গুনগান করছি এবং আপনারই পবিত্রতা বর্ণনা করে থাকি। তিনি বললেন: তোমরা যা অবগত নও, নিশ্চয় আমি তা পরিজ্ঞাত আছি। এবং তিনি আদমকে সমস্ত নাম শিক্ষা দিলেন, অনন্তর তৎসমুদয় পেরেশতাদের সামনে উপস্থাপিত করলেন, তৎপর বললেন: যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে আমাকে এসব বস্তুর নামসমূহ বিজ্ঞপিত কর। তারা বলেছিল- আপনি পরম পবিত্র, আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তদ্ব্যতীত আমাদের কোনই জ্ঞান নেই, নিশ্চয়ই আপনি মহাজ্ঞানী, বিজ্ঞানময়। তিনি বলেছিলেন হে আদম, তুমি তাদেরকে ঐ সকলের নাম সমূহ জ্ঞাপন কর, অত:পর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নামসমূহ পরিজ্ঞাপন করেছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয় আমি ভূমন্ডল ও নভোমন্ডলের অদৃশ্য বিষয় অবগত আছি এবং তোমরা যা প্রকাশ কর ও যা গোপন কর আমি তাও পরিজ্ঞাত আছি।   যখন আমি ফেরেশতাগনকে বলেছিলাম যে, তোমরা আদমকে সিজদা কর, তখন ইবলিস ব্যাতীত সকলে সিজদা করেছিল, সে অ...